0%

প্রাক্তন মন্ত্রী ইন্দ্রনীল ও ব্রাত্যর বিরুদ্ধে যৌন হেনস্তার অভিযোগ! বড় পদক্ষেপ মহিলা কর্মীদের

SOBDIK NEWS: প্রাক্তন মন্ত্রী ইন্দ্রনীল সেনকে (Indranil Sen) নিয়ে তদন্তে একের পর এক নতুন তথ্য সামনে আসছে। এবার তাঁর বাড়ি ও বাগানবাড়ি থেকে ১৩টি নথি নিয়ে গিয়েছেন লালবাজারের গোয়েন্দারা। এর মধ্যে জমির দলিল এবং বাড়ি তৈরির বিভিন্ন কাগজপত্র রয়েছে। শুধু তাই নয়, ২৭টি ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে ১০ কোটির বেশি টাকা ফ্রিজ করা হয়েছে বলেও আদালতে জানানো হয়েছে। পুজোর পাস দুর্নীতির টাকা দিয়ে এই সম্পত্তি কেনা হয়েছিল কি না, এখন সেটাই খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা।

২১ নভেম্বর পর্যন্ত জেল হেফাজতে প্রাক্তন মন্ত্রী (Indranil Sen)

শনিবার ফের আদালতে তোলা হয় ইন্দ্রনীল সেনকে (Indranil Sen)। সেখানে সরকারি আইনজীবী জানান, তাঁর দুটি ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে মোট ২৭ লক্ষ টাকা রয়েছে। এছাড়া আরও ২৭টি অ্যাকাউন্টে ১০ কোটির বেশি টাকা ফ্রিজ করা হয়েছে। তদন্তের জন্য ইন্দ্রনীলের বাড়ি ও বাগানবাড়ি থেকেও ১৩টি নথি বাজেয়াপ্ত করেছে লালবাজারের স্পেশাল ইনভেস্টিগেশন টিম বা SIT। জমির দলিলের পাশাপাশি বিভিন্ন নির্মাণের কাগজও রয়েছে সেই তালিকায়। এই সব নথি দেখে তাঁর আয়ের উৎস জানার চেষ্টা করছেন গোয়েন্দারা। পুজোর পাস দুর্নীতির টাকা দিয়ে ওই সম্পত্তি কেনা হয়েছিল কি না, সেটাও তদন্তের মধ্যে রয়েছে।

এদিন আদালতে সরকারি আইনজীবী জানান, তদন্ত এখন গুরুত্বপূর্ণ জায়গায় পৌঁছেছে। তাই আপাতত আর পুলিশি হেফাজত নয়, ইন্দ্রনীলকে জেল হেফাজতে রাখার আবেদন জানানো হচ্ছে। অন্যদিকে, তাঁর আইনজীবী প্রশ্ন তোলেন, কেন জেল হেফাজত চাওয়া হচ্ছে, তা স্পষ্ট নয়। একইসঙ্গে জেলে ইন্দ্রনীল সেনকে প্রথম শ্রেণির বন্দির মর্যাদা দেওয়ার আবেদন করেন তিনি।

আরও পড়ুনঃ ২৩ নভেম্বর থেকেই শুরু আবেদন? কবে অ্যাকাউন্টে ঢুকবে ভরসার টাকা, জানালেন মুখ্যমন্ত্রী

দুই পক্ষের কথা শোনার পর বিচারক ২১ নভেম্বর পর্যন্ত ইন্দ্রনীল সেনকে জেল হেফাজতে রাখার নির্দেশ দেন। তাঁর প্রথম শ্রেণির বন্দির মর্যাদার আবেদনও মেনে নেওয়া হয়েছে।

ইন্দ্রনীল ও ব্রাত্য বসুর বিরুদ্ধে অভিযোগ মহিলা কর্মীদের

এদিকে, তথ্য ও সংস্কৃতি দপ্তরের কয়েকজন মহিলা কর্মী প্রাক্তন মন্ত্রী ইন্দ্রনীল সেন (Indranil Sen) এবং ব্রাত্য বসুর বিরুদ্ধে যৌন হেনস্তার অভিযোগ তুলেছেন। শুধু এই দুই নেতা নন, দপ্তরের আরও কয়েকজন আধিকারিকের বিরুদ্ধেও একই অভিযোগ করেছেন তাঁরা।

এই অভিযোগ জানিয়ে রাজ্য পুলিশের ডিজি এবং মানবাধিকার কমিশনের কাছে চিঠি পাঠিয়েছেন ওই মহিলা কর্মীরা। কর্মক্ষেত্রে তাঁদের হেনস্তা করা হয়েছে বলে অভিযোগ। এই চিঠি সামনে আসার পর বিষয়টি নিয়ে নতুন করে চর্চা শুরু হয়েছে (Indranil Sen)।

 

Related Articles

Back to top button

Adblock Detected

Please consider supporting us by disabling your ad blocker