রাহুলের ইশারায় রাস্তায় নামবেন ৪০ লাখ যুবক! কংগ্রেসকে তোপ বিজেপির

বিজেপি জাতীয় সভাপতি নীতিন নবীন কংগ্রেস (Nitin Nabin)নেতা রাহুল গান্ধীর বিরুদ্ধে কড়া মন্তব্য করেছেন। তিনি অভিযোগ করেছেন, কংগ্রেস নেতারা নিজেরাই দেশে অস্থিরতা সৃষ্টির নকশা প্রকাশ…
বিজেপি জাতীয় সভাপতি নীতিন নবীন কংগ্রেস (Nitin Nabin)নেতা রাহুল গান্ধীর বিরুদ্ধে কড়া মন্তব্য করেছেন। তিনি অভিযোগ করেছেন, কংগ্রেস নেতারা নিজেরাই দেশে অস্থিরতা সৃষ্টির নকশা প্রকাশ করে ফেলেছেন। ঝাড়খণ্ডের এক কংগ্রেস মন্ত্রীর মন্তব্যকে সামনে রেখে নবীন বলেন, রাহুল গান্ধীকে দেশকে অস্থির করার হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে।
সম্প্রতি ঝাড়খণ্ডের স্বাস্থ্যমন্ত্রী ও কংগ্রেস নেতা ইরফান আনসারী এক সাক্ষাৎকারে বলেছিলেন, প্রায় ৪০ লাখ যুবক রাস্তায় নামার জন্য প্রস্তুত। তাঁরা শুধু একটা ইশারা পেলেই বেরিয়ে পড়বেন। তবে রাহুল গান্ধী তাঁদের আটকে রেখেছেন। আনসারী আরও বলেন, ছাত্র, কৃষক, মধ্যবিত্ত, দলিত, আদিবাসী ও মুসলিম সবাই কেন্দ্রীয় সরকারের নীতির কারণে অসন্তুষ্ট।
আরও দেখুনঃ ফেসবুক লাইভে কান্না, তারপর মৃত্যু! রাঁচিতে আদিবাসী নেত্রীর রহস্যমৃত্যু
এই মন্তব্যের প্রতিক্রিয়ায় নীতিন নবীন বলেছেন, কংগ্রেস মন্ত্রী নিজেই স্বীকার করেছেন যে রাহুল গান্ধীর হাতে রিমোট বাটন রয়েছে। তিনি যখনই চান, ৪০ লাখ মানুষকে উসকে দিয়ে দেশে নৈরাজ্য সৃষ্টি করতে পারেন। নবীনের মতে, এটি বিজেপির দীর্ঘদিনের অভিযোগকেই সত্য প্রমাণ করে। রাহুল গান্ধীকে বিদেশি টুলকিট হিসেবে ব্যবহার করে দেশকে অস্থিতিশীল করার চেষ্টা চলছে।
নবীন আরও বলেন, ভারতের গণতন্ত্র অনেক মজবুত। (Nitin Nabin)যারা নৈরাজ্য সৃষ্টির কথা ভাবেন বা বিদেশি শক্তির হাতিয়ার হয়ে কাজ করেন, তাঁরা ভুল করছেন। দেশের মানুষ এ ধরনের মানসিকতার জবাব দিতে জানে। তিনি রাহুল গান্ধীর নীরবতাকেও প্রশ্ন করেছেন। নবীনের ভাষায়, রাহুল গান্ধী যদি এই মন্তব্যের জবাব না দেন, তাহলে বুঝতে হবে তিনি নীরবে সমর্থন দিচ্ছেন।
বিজেপি নেতা দাবি করেন, কংগ্রেস নেতারা এখন নিজেরাই রাহুল গান্ধীর ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন। মুখোশ খসে পড়ছে। তিনি বলেন, রাহুল গান্ধী সংসদে বিতর্ক না করে রাস্তায় অস্থিরতা সৃষ্টির চেষ্টা করছেন। ভারতের গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে দুর্বল করার চেষ্টা কোনোভাবেই সফল হবে না।
এদিকে কংগ্রেস শিবির থেকে এখনও সরাসরি কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। তবে আনসারীর মন্তব্যকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক বিতর্ক তীব্র হয়ে উঠেছে। বিজেপি নেতারা বলছেন, দেশের স্থিতিশীলতা নষ্ট করার কোনো ষড়যন্ত্রকে প্রশ্রয় দেওয়া যাবে না। অন্যদিকে বিরোধীরা মনে করেন, সরকারের নীতির বিরুদ্ধে জনগণের ক্ষোভ প্রকাশ করা গণতান্ত্রিক অধিকার।
নীতিন নবীনের (Nitin Nabin)এই অভিযোগ দেশের রাজনৈতিক মহলে নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে। তিনি জোর দিয়ে বলেছেন, ভারতের গণতন্ত্র এতটাই শক্তিশালী যে কোনো বিদেশি টুলকিট বা অভ্যন্তরীণ নৈরাজ্যের চেষ্টা সফল হতে পারে না। দেশের মানুষ শান্তি ও উন্নয়ন চায়, অস্থিরতা নয়।



