অজান্তেই ক্ষতি করছেন না তো? এই ৭টি অভ্যাসে বাড়ছে চোখের সমস্যা

নিজস্ব প্রতিনিধিঃ অনেকেই চোখের ঝাপসা দৃষ্টি, তীব্র মাথাব্যথা বা অস্বস্তিবোধ না হওয়া পর্যন্ত চোখের স্বাস্থ্যের প্রতি তেমন নজর দেন না! কিন্তু প্রতিদিনের এমন কিছু সাধারণ অভ্যাস রয়েছে যা আমাদের অজান্তেই চোখের দীর্ঘমেয়াদী ক্ষতি করে চলেছে বলে সতর্ক করেছেন বিশেষজ্ঞরা।
দীর্ঘক্ষণ স্ক্রিনের দিকে তাকিয়ে থাকা
স্মার্টফোন, ল্যাপটপ এবং কম্পিউটারের ওপর অতিরিক্ত নির্ভরতা আমাদের চোখের ‘নিয়ার ওয়ার্ক’ বা কাছের কাজের পরিমাণ বহুগুণ বাড়িয়ে দিয়েছে। দীর্ঘক্ষণ খুব কাছ থেকে কোনো বস্তুর দিকে তাকিয়ে থাকলে চোখের পেশিগুলোকে অনবরত অতিরিক্ত কাজ করতে হয়।
বারবার চোখে হাত দেওয়া
চোখে ক্লান্তি বা অস্বস্তি হলে চোখে হাত দেওয়া আমাদের সাধারণ স্বভাব। কিন্তু অপরিষ্কার হাতে চোখে হাত দিলে হাতের জীবাণু সরাসরি চোখে প্রবেশ করে চোখের ক্ষতি ও ইনফেকশন ঘটাতে পারে।
কনট্যাক্ট লেন্স ব্যবহারে অসতর্কতা
লেন্স পরে ঘুমিয়ে পড়া, নির্দিষ্ট মেয়াদের চেয়ে বেশি সময় ধরে একই লেন্স ব্যবহার করা কিংবা লেন্স পরিষ্কার করার জন্য স্টেরাইল সলিউশনের বদলে পরিশ্রুত জল ব্যবহার করা চোখের কর্নিয়ায় মারাত্মক ইনফেকশন ডেকে আনে।
সানগ্লাস ব্যবহার না করা
সূর্যের ক্ষতিকারক আল্ট্রাভায়োলেট (UV) রশ্মি চোখের অপূরণীয় ক্ষতি করে। তাই রোদে বেরোনোর সময় পর্যাপ্ত ইউভি প্রটেকশনযুক্ত সানগ্লাস ব্যবহার না করলে চোখের লেন্স ও রেটিনা স্থায়ীভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।
চোখের পরীক্ষা এড়ানো
চোখের অনেক জটিল রোগ প্রাথমিক অবস্থায় কোনো রকম জানান না দিয়েই বাসা বাঁধে। অনেকেই মাথাব্যথা বা চোখ ব্যথার মতো লক্ষণগুলোকে সাধারণ ক্লান্তি ভেবে এড়িয়ে যান, যা পরে বড় বিপদের কারণ হতে পারে।
পুরোনো পাওয়ারের চশমা ব্যবহার করা
চোখের পাওয়ার পরিবর্তন হওয়া সত্ত্বেও পুরোনো পাওয়ারের চশমা ব্যবহার করে গেলে চোখের ওপর অতিরিক্ত চাপ পড়ে। এর ফলে দৃষ্টি ঝাপসা হওয়া, অনবরত মাথাব্যথা এবং ফোকাস করতে সমস্যা দেখা দেয়।
অনিয়মিত ঘুম, পুষ্টির অভাব
পর্যাপ্ত না ঘুমালে চোখ নিজেকে পুনরুজ্জীবিত করতে পারে না, ফলে চোখ শুষ্ক ও ক্লান্ত হয়ে পড়ে।শাকসবজি, গাজর, ফল এবং বাদাম জাতীয় খাবার না খেলে চোখ প্রয়োজনীয় পুষ্টি পায় না। সেই সঙ্গে পর্যাপ্ত জল পান না করলে শরীর ডিহাইড্রেটেড হয়ে চোখের শুষ্কতা আরও বাড়িয়ে দেয়।



