কোহলি-রোহিতের পরামর্শেই সাফল্য! কিউয়ি ভূমে নজির গড়ে কী বললেন গুর্নুর?

নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে দ্বিতীয় ওয়ানডেতে ভারতের জয়ের ভিত গড়ে দেন পেসার গুর্নুর ব্রার। তাঁর দাপুটে বোলিংয়েই মাত্র ১৩৪ রানে শেষ হয়ে যায় নিউজিল্যান্ডের ইনিংস। ৩০ রান দিয়ে ৪ উইকেট তুলে নিয়ে শুধু ম্যাচের সেরার পুরস্কারই জেতেননি, গড়েছেন নজিরও। ম্যাচের পর নিজের সাফল্যের পিছনে বিরাট কোহলি, রোহিত শর্মা এবং শুভমান গিলের অবদানের কথা তুলে ধরলেন ভারতীয় পেসার।
ম্যাচের সেরার পুরস্কার হাতে নিয়ে শুভমানের প্রশংসা করেছেন গুর্নুর। ভারতীয় পেসার বলেন, “শুভমান সব সময় দলের প্রত্যেকের পাশে থাকে। কারও পারফরম্যান্স দিয়ে তাকে বিচার করে না। নিজের পাশাপাশি দলের জন্যও ওর সমান তাগিদ রয়েছে।” সাফল্যের নেপথ্যে বিরাট ও রোহিতের পরামর্শের কথাও জানিয়েছেন ব্রার। অতীতের ব্যর্থতা থেকে শিক্ষা নিয়ে কীভাবে ঘুরে দাঁড়িয়েছেন, তা-ও জানিয়েছেন তিনি। ব্রারের কথায়, “গুয়াহাটি এবং লর্ডসে ভালো খেলতে পারিনি। তবে সেই দুই ম্যাচ থেকে অনেক কিছু শিখেছি। অনুশীলনের সময় বিরাট ভাই ও রোহিত ভাইয়ের সঙ্গে অনেক আলোচনা হয়েছে। ওঁরা আমাকে বেশ কিছু পরামর্শ দিয়েছেন। শুভমানও নানা ভাবে সাহায্য করেছে।”
শুধু বর্তমান দলের সতীর্থেরাই নন, অভিজ্ঞ উমেশ যাদবের কাছ থেকেও শিখেছেন গুর্নুর। রনজি ট্রফিতে খেলার অভিজ্ঞতাও তাঁকে সাহায্য করেছে বলে জানিয়েছেন ভারতীয় পেসার। তাঁর কথায়, “রনজি ট্রফিতে খেলার অভিজ্ঞতা আমার কাজে লেগেছে। সেখানে অনেক ওভার বল করেছি। উমেশ যাদবের কাছ থেকেও অনেক কিছু শিখেছি। আমার প্রথম ম্যাচেই ও পাঁচ উইকেট পেয়েছিল। লক্ষ করেছিলাম, কীভাবে নির্দিষ্ট লেংথে বল করে সাফল্য পাচ্ছে। পরে ওর কাছে জানতে চাইলে নিজের বোলিং পরিকল্পনা বিস্তারিত ভাবে বুঝিয়ে দিয়েছিল।”
নিখুঁত লাইন ও লেংথই ব্রারের সাফল্যের মূল চাবিকাঠি। তাঁর ৩০ রানে ৪ উইকেটের বোলিং পরিসংখ্যান নিউজিল্যান্ডের মাটিতে কোনও ভারতীয় পেসারের যুগ্ম ভাবে দ্বিতীয় সেরা। শনিবার তিনি ফিরিয়েছেন টম লাথাম, গ্লেন ফিলিপস, মিচেল স্যান্টনার এবং নেথান স্মিথকে। নিউজিল্যান্ডের মাটিতে ওয়ানডে ক্রিকেটে ভারতীয়দের মধ্যে সেরা বোলিংয়ের নজির অনিল কুম্বলের। ১৯৯৪ সালে ৩৩ রানে ৫ উইকেট নিয়েছিলেন তিনি। দ্বিতীয় স্থানে রয়েছেন জাভাগল শ্রীনাথ। ২০০২ সালে ২৩ রানে ৪ উইকেট নিয়েছিলেন প্রাক্তন ভারতীয় পেসার।
শেয়ার
লিংক



